পবিত্র রমজানের চাহিদার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অনেকটা বেড়ে গেয়েছিল। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কিছু কিছু পণ্যের দাম কমেছে। এর মধ্যে পিঁয়াজ-মুরগির দাম কমেছে। কিছু কিছু সবজির দামও কেজিতে ৫-১০ টাকা কমেছে। তবে লেবু-শসা ও বেগুন এখনো বেশি দামে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। যদিও চালের বাজারে স্বস্তি নেই অনেক দিন ধরেই।
বিক্রেতারা বলছেন, সবকিছুর সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি সেগুলোর দাম জোগান অনুযায়ী ওঠানামা করছে।
গতকাল মিরপুর-১১ ও মিরপুর-৬ বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, লেবু মানভেদে পিসপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকায়। হালি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়। রোজার শুরুতে লেবু ১০০-১২০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছিল। শসা ৭০-৮০ টাকা কেজিতে, গোল ও লম্বা দুই ধরনের বেগুনই কেজিপ্রতি ৭০-১০০ টাকা, মরিচ ১৪০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে কেজিপ্রতি ৪০ এবং মিষ্টিকুমড়া ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে, শিম কেজিপ্রতি ৪০ ও টম্যাটো ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাঁধাকপি প্রতি পিস ৩০-৪০, ফুলকপি ৫০-৬০ টাকা, মাঝারি মানের লাউ ৭০-৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। করলা ১৪০-১৫০, বরবটি ১০০ টাকা কেজিতে ও নতুন পিঁয়াজ কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ধনেপাতা ১৫০ এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ৬০ থেকে ১০০ টাকা কেজি, পুদিনাপাতা ২০০ টাকা কেজি, কাঁচকলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চালকুমড়া ৫০ টাকা পিস। লালশাক ও পালংশাক আঁটি ১০, লাউশাক ৪০, কলমিশাক ১৫, পুঁইশাক ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের মধ্যে প্রতি কেজি মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল ৮৫-৮৮ ও রশিদ মিনিকেটের দাম ৭৫-৮০ টাকায় কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। নন-ব্র্যান্ডের মিনিকেটের দাম ৭০ টাকা, আর দামি মিনিকেট মোজাম্মেল বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। চিকন মসুর ডাল কেজিপ্রতি ১৫৫ এবং মোটা মসুর ডাল ১০০ টাকায়, বড় মুগ ডাল ১৪০, ছোট মুগ ডাল ১৭০, খেসারি ডাল ১০০, বুটের ডাল ১১৫, ছোলা ৮০-৯০ এবং মাষকলাই ডাল ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির দাম সপ্তাহের ব্যবধানে ৩০-৪০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ব্রয়লার মুরগি কেজিতে এখন বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকায়, যা গত সপ্তাহেও ২০০-২১০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছিল। আর সোনালি মুরগির কেজি ৩২০-৩৪০ টাকা। ফার্মের মুরগির ডজন ১০০-১১০ টাকা। গরুর মাংস কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৮২০-৮৫০ ও খাসির মাংস ১ হাজার ৫০- ১ হাজার ১০০ টাকায় কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। রুই মাছ কেজিপ্রতি ৩০০-৩৫০ টাকায়, কাতলা ৩২০-৩৫০ টাকা, পাঙাশ ১৮০-২০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ১৮০-২২০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। চিংড়ির দাম কেজিপ্রতি ৬৫০-৭৫০ টাকা। মাঝারি আকারের কই মাছ ২০০-২৫০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৬৫০, সুরমা ৩৫০ এবং পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।