বাগেরহাট জেলার মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে ৪টি সংসদীয় আসনে ২৬ প্রার্থীর মধ্যে ৩টি সংসদীয় আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে পাঁচজন। বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন দুইজন। এর মধ্যে বাগেরহাট-২ আসনে বিএনপির সাবেক এমপি এম এ এইচ সেলিম দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বাগেরহাট-১, বাগেরহাট-২ ও বাগেরহাট-৩ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী) আসনে ৭ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন কপিল কৃষ্ণ মন্ডল। এই আসনের বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন বাগেরহাট-২ আসনের বিএনপির দলীয় সাবেক এমপি এম এ এইচ সেলিম ও জেলা বিএনপি নেতা প্রকৌশলী মো. শেখ মাসুদ রানা। এই আসনে অপর ৪ প্রার্থী হলেন-জামায়াতের প্রার্থী মো. মশিউর রহমান খান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির মো. মামুনুল হক, মো. আমিনুল ইসলাম (এবি পার্টি) ও মো. সবুর শেখ (মুসলীম লীগ)।
বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর ও কচুয়া) আসনে ৭ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। এই আসনে বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন বাগেরহাট-২ আসনের বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি এম এ এইচ সেলিম ও তার ভাই জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম। এই আসনে অপর ৪ প্রার্থী হলেন-জামায়াতের প্রার্থী শেখ মনজুরুল হক রাহাত, শেখ আতিয়ার রহমান (ইসলামী আন্দোলন), মো. রমিজ উদ্দিন (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস) ও বালী নাছের ইকবাল (খেলাফত মজলিস)।
বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা) আসনে ৭ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন শেখ ফরিদুল ইসলাম। এই আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বাগেরহাট-২ আসনের বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি এম এ এইচ সেলিম। এই আসনে অপর ৫ প্রার্থী হলেন-জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ শেখ. মো. জুলফিকার হোসেন (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), মো. রহমাতুল্লাহ (এনসিপি), মো. হাবিবুর রহমান মাস্টার (জাসদ রব) ও শেখ জিল্লুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন)।
বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা) আসনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী খাইরুজ্জামান শিপনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। এখন এই আসনে পাঁচজন প্রার্থী হলেন সোমনাথ দে (বিএনপি), মো. আব্দুল আলীম (জামায়াত), মো. ওমর ফারুক (ইসলামী আন্দোলন), সজন কুমার মিস্ত্রী (জাপা) ও মো. আ. লতিফ খান (জাসদ রব)।