জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সম্পদের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ২ লাখ ৭৩ হাজার ৬৪০ টাকা। এ ছাড়া হাতে নগদ আছে ৬০ লাখ ৭৬ হাজার ৪৯৭ টাকা। স্বর্ণ আছে ১০ ভরি। পাশাপাশি ১১ দশমিক ৭৭ শতক জমির ওপর তাঁর নিজের নামে একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি রয়েছে, যার মূল্য ২৭ লাখ টাকা। একই সঙ্গে তিনি পেশা হিসেবে চিকিৎসা উল্লেখ করেছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ঢাকা-১৫ আসন থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। তাঁর নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য বিশ্লষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এদিকে ঢাকা-১৩ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুসা বিন শমসেরের ছেলে ববি হাজ্জাজের নিজের নামে জমি, বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট নেই। হাতে রয়েছে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭২ টাকা। তবে নিজের নামে নেই জমি, বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট। তবে স্ত্রীর নামে ১২০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। ডা. শফিকুর রহমান তাঁর নির্বাচনি হলফনামায় উল্লেখ করেন, তিনি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করেননি। তাঁর নামে ২ একর ১৭ শতক কৃষিজমি আছে, যার আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৭১ হাজার টাকা। বর্তমানে তাঁর কাছে ৪৭ লাখ ২৫ হাজার ৮৩৪ টাকার সম্পদ আছে। কৃষি খাত থেকে তিনি বছরে ৩ লাখ টাকা আয় করেন। বন্ড ঋণপত্র স্টক এক্সচেঞ্জ তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয়- এমন কোম্পানির শেয়ার আছে ২৭ লাখ ১৬ হাজার ৮৮০ টাকার। তাঁর নিজের ২ লাখ টাকার ইলেকট্রিক পণ্য আছে। এ ছাড়া সাড়ে ৪ লাখ টাকা মূল্যের যানবাহনসহ ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার আসবাবপত্র রয়েছে।
ববির নেই জমি-বাড়ি, স্ত্রীর আছে ১২০ ভরি স্বর্ণ : ববি হাজ্জাজের নিজের নামে জমি, বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট নেই। ঢাকা-১৩ আসনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি থেকে মনোনীত জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ। রাজনীতিতে আলোচিত নাম ববি হাজ্জাজ। কোটি টাকার ওপরে থাকলেও নিজের নামে নেই জমি, বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট। তবে স্ত্রীর নামে ১২০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। তবে তাঁর নামে একটি মোটরগাড়ি আছে যার দাম উল্লেখ করা হয়নি। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় হলফনামা দাখিল করেছেন ববি হাজ্জাজ। হলফনামায় ববি হাজ্জাজ উল্লেখ করেছেন, তাঁর পিতার নাম মুসা বিন শমসের, মাতা তানিজ ফাতেমা চৌধুরী। বাড়ির ঠিকানা হিসেবে গুলশান উল্লেখ করেছেন। তাঁর হাতে নগদ ১ কোটি ৫৬ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭২ টাকা আছে। পাশাপাশি নিজের নামে ৩৫ ভরি ও স্ত্রীর নামে ১২০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। তিনি বছরে শেয়ার থেকে ৮৯ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং পেশা থেকে ২৭ লাখ ৫৫ হাজার ৫২৯ টাকা আয় করেন। তার নামে কৃষি জমিসহ বাড়ি নেই। ব্যাংকে ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৫৭৯ টাকা জমা আছে। তবে তাঁর স্ত্রীর নামে বেশি রয়েছে যার পরিমাণ ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৮৪৫ টাকা। তাঁর একটি যৌথ ব্যবসা আছে এখান থেকে বছরে আয় ৬ লাখ ৯০ হাজার ৩৬৯ টাকা। ধনকুবেরের পুত্র ববি হাজ্জাজের নামে দালান, বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, কৃষি জমি নেই। বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে বা স্থায়ী আমানত বিনিয়োগ নেই। তবে স্ত্রীর আছে ১২ লাখ টাকা।