জামায়াতের সঙ্গে জোট করা প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, বর্তমানে কোনো জোটে যাওয়ার এখন আর সুযোগ নেই। তবে ভবিষ্যতে যদি শরিয়া ও কোরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক আইন করে, সুযোগ হয় তাহলে জোট হবে। এ সময় ইসলামের পক্ষে হাতপাখার একটা বাক্স আছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। গতকাল দুপুরে বরিশাল প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। বরিশাল-৫ ও ৬ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মুফতি ফয়জুল করিম। তিনি বলেন, আমাদের তো মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামের পক্ষে একটা বাক্স। যখনই তারা বলেছেন আমরা শরিয়া, কোরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে কোনো আইন করব না। একজন খ্রিস্টান ভদ্র মহিলার প্রশ্নের জবাব দিলেন, তখন তো আমাদের এক বাক্স থাকে না। ইসলামের পক্ষে হাতপাখার একটা বাক্স আছে। এসময় তিনি জানান, জামায়াত ইসলামীর আমিরের সম্মানার্থে তার আসনে হাত পাখার পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেনি। আবার তিনিও (জামায়াতের আমির) আমাদের সম্মান করে এখান থেকে প্রার্থী তুলে নিয়েছেন, এজন্য তাকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। বরিশাল-৫ (সদর) আসনের জামায়াতের প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলাল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় তিনি ফোন দিয়ে ধন্যবাদ জানিয়েছি বলেও জানান। মুফতি ফয়জুল করিম বলেন, প্রশাসনের ঢিলাঢালা অবস্থা দেখে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে কি না তা নিয়ে জনগণ সন্দেহ প্রকাশ করছে। প্রশাসনকে বলব, আপনারা কোনো অবস্থাতেই কোনো দিকে ঝুঁকে যাবেন না।
তিনি আরও বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড রাখার জন্য প্রতীক বরাদ্দের পর কোনো অবস্থাতেই যাদের বিরুদ্ধে কেস নেই, তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কেস দেওয়া যাবে না। যারা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি নয়, তাদের গ্রেপ্তার করা যাবে না, সেই সঙ্গে বেনামি-অজ্ঞাত একজন আসামিও গ্রেপ্তার করা যাবে না। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে চাইলে প্রশাসন কাউকে যেন হয়রানি না করে সে আহ্বান জানাচ্ছি।