চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে অধিকাংশই কোটিপতি। তবে এসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই এমন প্রার্থীর সংখ্যা আটজন। গত ১৫ বছরে যেখানে বিরোধী মতের নেতা-কর্মীরা মামলার বোঝা টানতে টানতে ক্লান্ত, সেখানে জামায়াতের আট প্রার্থীর নামে কোনো মামলা না থাকাটা ব্যাতিক্রমী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া আসনে জামায়াতের প্রার্থী ফরিদুল আলমের নিট সম্পদের পরিমাণ ১২.১৫ কোটি টাকা। তার নামে কোনো মামলা বা ঋণের তথ্য নেই। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. শাহজাহান মঞ্জুরের সম্পদের পরিমাণ ২.১২ কোটি টাকা। চট্টগ্রাম-৯ আসনের জামায়াতের প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হকের সম্পদের পরিমাণ ৭.৭৩ কোটি টাকা। যদিও দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। চট্টগ্রাম-৭ রাঙ্গুনিয়া আসনের প্রার্থী এ টি এম রেজাউল করিমের নিট সম্পদের পরিমাণ ৪.৭ কোটি টাকা। চট্টগ্রাম-৮ আসনের জামায়াতের প্রার্থী মো. আবু নাসেরের নিট সম্পদের পরিমাণ ২.৫৯ কোটি টাকা। চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়ি আসনে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল আমিনের নিট সম্পদ

এ ছাড়া চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, পাহাড়তলী, খুলশী) আসনে জামায়াত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীর মোট সম্পদের পরিমাণ ১.৫৫ কোটি টাকা। তিনি ৪৭টি মামলার কথা উল্লেখ করেছেন এবং সব কটিতেই তিনি খালাস পেয়েছেন। চট্টগ্রাম-১৫ জামায়াতের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী নিট সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি টাকা। তার বিরুদ্ধে মামলা ছিল ৭১টি এবং চলমান মামলা রয়েছে ৯টি। চট্টগ্রাম-৩ সন্দ্বীপ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের নিট সম্পদের পরিমাণ ১.৬৬ কোটি টাকা। তার বিরুদ্ধে একটি মামলা ছিল, তা ২০১৬ সালে নিষ্পত্তি হয়ে যায়। চট্টগ্রাম-১৬ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের নিট সম্পদের পরিমাণ ১.২৭ কোটি টাকা। তার বিরুদ্ধে ১২টি মামলা ছিল, বর্তমান তদন্তাধীন রয়েছে একটি। চট্টগ্রাম-১১ আসনের প্রার্থী শফিউল আলমের নিট সম্পদের পরিমাণ ১.১০ কোটি টাকা। দুটি মামলা বিচারাধীন। এর আগে বিভিন্ন সময়ে দায়ের হওয়া ৩২টি মামলায় তিনি খালাস পেয়েছেন, যার বেশির ভাগই গত দুই বছরের মধ্যে। চট্টগ্রাম-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকের অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৪৩.৮৪ লাখ টাকা। তার বিরুদ্ধে ২৯টি মামলা ছিল, খালাস পেয়েছেন ১৯টি মামলা থেকে। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনের জামায়াত জোটের প্রার্থী এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ওমর ফারুক ৩.৩৯ কোটি টাকার সম্পদের ঘোষণা দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই, তবে ১.৮ লাখ টাকার ঋণ রয়েছে। কোনো মামলার তথ