১৯৭৫ : চলচ্চিত্র- লাঠিয়াল। এর প্রযোজক ও পরিচালক নারায়ণ ঘোষ মিতা।


 


১৯৭৬ : চলচ্চিত্র- মেঘের অনেক রং। এ চলচ্চিত্রের পরিচালক হারুনূর রশীদ।


 


জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সেরা সিনেমা


১৯৭৭ : চলচ্চিত্র- বসুন্ধরা। চলচ্চিত্রের প্রযোজক ও পরিচালক সুভাষ দত্ত।


 


১৯৭৮ : চলচ্চিত্র-গোলাপী এখন ট্রেনে। চলচ্চিত্রের প্রযোজক ও পরিচালক আমজাদ হোসেন। 


 


১৯৭৯ : চলচ্চিত্র- সূর্য দীঘল বাড়ী। প্রযোজক ও পরিচালক মসিহউদ্দিন শাকের ও শেখ নেয়ামত আলী।


 


জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সেরা সিনেমা১৯৮০ : চলচ্চিত্র- এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী। পরিচালক বাদল রহমান।        


 


১৯৮১ : জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দেওয়া হয়নি।


 


১৯৮২ : কোনো চলচ্চিত্র সেরা নির্বাচিত হয়নি।


 


১৯৮৩ : চলচ্চিত্র- পুরস্কার। প্রযোজক ছিলেন সংগীত পরিচালক সত্য সাহা এবং পরিচালনা করেছেন সিবি জামান।


জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সেরা সিনেমা


১৯৮৪ : চলচ্চিত্র- ভাত দে। পরিচালক ছিলেন আমজাদ হোসেন ও প্রযোজনায় আবু জাফর খান।       


 


১৯৮৫ : সেরা কোনো চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়নি।


 


১৯৮৬ : চলচ্চিত্র- শুভদা। পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম এবং প্রযোজনা করেছেন এ কে এম জাহাঙ্গীর খান।     


 


জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সেরা সিনেমা১৯৮৭ : সেরা কোনো চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়নি।


 


১৯৮৮ : চলচ্চিত্র- দুই জীবন। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন আবদুল্লাহ আল মামুন এবং প্রযোজনায় সূচনা ফিল্মস।          


 


১৯৮৯ : সেরা কোনো চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়নি।


 


১৯৯০ : চলচ্চিত্র- গরীবের বউ। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন কামাল আহমেদ এবং প্রযোজনায় অভিনেত্রী শাবানার এস এস প্রোডাকশন।           


 


১৯৯১ : চলচ্চিত্র- পদ্মা মেঘনা যমুনা। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন চাষী নজরুল ইসলাম ও প্রযোজনায় মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।      


 


১৯৯২ : চলচ্চিত্র- শঙ্খনীল কারাগার। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান।


 


১৯৯৩ : চলচ্চিত্র- পদ্মা নদীর মাঝি। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন গৌতম ঘোষ এবং প্রযোজনা হাবিবুর রহমান খান।         


 


১৯৯৪ : চলচ্চিত্র (যৌথভাবে দুটি চলচ্চিত্র পুরস্কার পায়)। ১. আগুনের পরশমণি- ছবির প্রযোজক ও পরিচালক হুমায়ূন আহমেদ। ২. দেশপ্রেমিক। পরিচালক কাজী হায়াৎ এবং প্রযোজক শেখ মুজিবুর রহমান।


 


১৯৯৫ : চলচ্চিত্র- অন্য জীবন। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছেন শেখ নেয়ামত আলী।


 


১৯৯৬ : চলচ্চিত্র- পোকামাকড়ের ঘরবসতি। চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন অভিনেত্রী ববিতা এবং পরিচালনা করেছেন আখতারুজ্জামান।    


 


১৯৯৭ : চলচ্চিত্র-দুখাই। ছবির প্রযোজক ও পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম।      


 


১৯৯৮ : সেরা কোনো চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়নি।


 


১৯৯৯ : চলচ্চিত্র- চিত্রা নদীর পারে। চলচ্চিত্রটির প্রযোজক ও পরিচালক হলেন তানভীর মোকাম্মেল।   


 


২০০০ : চলচ্চিত্র- কিত্তনখোলা। এই চলচ্চিত্রের পরিচালক হলেন আবু সাইয়িদ ও প্রযোজনায় ইমপ্রেস টেলিফিল্ম।     


 


২০০১ : চলচ্চিত্র- লালসালু। চলচ্চিত্রের প্রযোজক ও পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।        


 


২০০২ : চলচ্চিত্র- হাছন রাজা। চলচ্চিত্রের প্রযোজক ছিলেন অভিনেতা হেলাল খান এবং পরিচালনা করেছেন চাষী নজরুল ইসলাম।


 


২০০৩ : সেরা কোনো চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়নি।


 


২০০৪ : চলচ্চিত্র- জয়যাত্রা। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন তৌকীর আহমেদ এবং প্রযোজনায় ইমপ্রেস টেলিফিল্ম।   


 


২০০৫ : চলচ্চিত্র- হাজার বছর ধরে। সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন অভিনেত্রী সুচন্দা।


২০০৬ : চলচ্চিত্র- ঘানি। এই চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন কাজী মোরশেদ।     


 


২০০৭ : চলচ্চিত্র- দারুচিনি দ্বীপ। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন তৌকীর আহমেদ। প্রযোজনায় ফরিদুর রেজা সাগর ও ইবনে হাসান খান।


 


২০০৮ : চলচ্চিত্র- চন্দ্রগ্রহণ। ছবির পরিচালক মুরাদ পারভেজ ও প্রযোজনায় আজম ফারুক এবং ফরিদুর রেজা সাগর (ইমপ্রেস টেলিফিল্ম)।


 


২০০৯ : চলচ্চিত্র- মনপুরা। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন গিয়াসউদ্দীন সেলিম এবং প্রযোজক অঞ্জন চৌধুরী।


 


২০১০ : চলচ্চিত্র- গহীনে শব্দ। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন খালিদ হাসান মিঠু এবং প্রযোজনায় ফরিদুর রেজা সাগর (ইমপ্রেস টেলিফিল্ম)। 


 


২০১১ : চলচ্চিত্র- গেরিলা। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন নাসিরউদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু এবং প্রযোজনায় এশা ইউসুফ ও ফরিদুর রেজা সাগর।  


 


২০১২ : চলচ্চিত্র- উত্তরের সুর। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন শাহনেওয়াজ কাকলী এবং প্রযোজনায় ফরিদুর রেজা সাগর (ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড)।


 


২০১৩ : চলচ্চিত্র- মৃত্তিকা মায়া। চলচ্চিত্রটির পরিচালক গাজী রাকায়েত ও প্রযোজক ফরিদুর রেজা সাগর।         


 


২০১৪ : চলচ্চিত্র-নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন মাসুদ পথিক এবং প্রযোজনায় ব্রাত্য চলচ্চিত্র।          


 


২০১৫ : চলচ্চিত্র (এ বছর যৌথভাবে দুটি চলচ্চিত্র সেরা নির্বাচিত হয়)। ১. মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত ‘অনিল বাগচীর একদিন’ এবং ২. রিয়াজুল রিজু পরিচালিত ‘বাপজানের বায়োস্কোপ’।


 


২০১৬ : চলচ্চিত্র- অজ্ঞাতনামা। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন তৌকীর আহমেদ এবং প্রযোজনায় ফরিদুর রেজা সাগর।        


 


২০১৭ : চলচ্চিত্র- ঢাকা অ্যাটাক। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন দীপংকর দীপন এবং প্রযোজনায় কয়সার আহমেদ ও সানী সানোয়ার।


 


২০১৮ : চলচ্চিত্র- পুত্র। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন সাইফুল ইসলাম মান্নু এবং প্রযোজনায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর।   


 


২০১৯ : চলচ্চিত্র (যৌথভাবে দুটি চলচ্চিত্র সেরা নির্বাচিত হয়)। ১. ফাগুন হাওয়ায়। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন তৌকীর আহমেদ এবং প্রযোজনায় ফরিদুর রেজা সাগর। ২. ন’ডরাই। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন তানিম রহমান অংশু এবং প্রযোজনা করেছেন মাহবুব রহমান।


 


২০২০ : চলচ্চিত্র (যৌথভাবে দুটি চলচ্চিত্র সেরা নির্বাচিত হয়)। ১. গাজী রাকায়েত পরিচালিত            ‘গোর’ এবং ২. চয়নিকা চৌধুরী পরিচালিত ‘বিশ্বসুন্দরী’।


 


২০২১ : চলচ্চিত্র (যৌথভাবে দুটি চলচ্চিত্র সেরা নির্বাচিত হয়)। ১ নুরুল আলম আতিক পরিচালিত ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ ও ২. রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত পরিচালিত ‘নোনাজলের কাব্য’।


 


২০২২ : চলচ্চিত্র-(যৌথভাবে দুটি চলচ্চিত্র সেরা নির্বাচিত হয়)। ১. মুহাম্মদ কাইউম পরিচালিত ও প্রযোজিত ‘কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’ এবং ২. রায়হান রাফি পরিচালিত      ‘পরাণ’। এটি প্রযোজনা করেছেন তামজিদ উল আলম।


 


২০২৩ : চলচ্চিত্র- সাঁতাও। এ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন খন্দকার সুমন।