যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শর্তসাপেক্ষ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির খবরে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মিলেছে স্বস্তির ইঙ্গিত। সবচেয়ে তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়েছে জ্বালানি বাজারে কমতে শুরু করেছে তেলের দাম, চাঙ্গা হয়েছে শেয়ারবাজার।


বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১৫.৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯২ ডলারের কাছাকাছি নেমে আসে। যদিও সংঘাত শুরুর আগের তুলনায় দাম এখনো উঁচু অবস্থানেই রয়েছে। যুদ্ধের সময় ইরান হরমুজ প্রণালী-এ জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ করে দেওয়ায় তেলের দাম দ্রুত বেড়ে একপর্যায়ে ১১৯ ডলারে পৌঁছেছিল।


যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ আবার খুলে দেওয়ার ঘোষণা বাজারে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। কারণ বিশ্বে তেল পরিবহনের বড় একটি অংশই এই প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল।


শুধু জ্বালানি নয়, ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারেও। এশিয়ার প্রধান বাজারগুলোতে সূচকের উত্থান লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া-এর বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা ফিরে এসেছে।


তবে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করে বলছেন, এই স্বস্তি আপাতত সাময়িক হতে পারে। যুদ্ধবিরতি দীর্ঘস্থায়ী শান্তিতে রূপ না নিলে জ্বালানি সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে না। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে এশিয়ার আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর, যারা ইতোমধ্যে উচ্চ জ্বালানি মূল্যের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে।


যুদ্ধবিরতি বাজারে স্বস্তি ফেরালেও অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেটিই এখন নজরে বিশ্ব অর্থনীতির।