প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের বেতন ফ্রি করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। পাশাপাশি ভালো ফলের ভিত্তিতে বৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। তিনি বলেন, সারা দেশে সরকারি ৬৫ হাজার বিদ্যালয়ে ১ কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ দেওয়া হবে। গতকাল জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান। বিকাল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, প্রাথমিক শিক্ষকদের ধাপে ধাপে বেতন বাড়ানো হবে। এর পাশাপাশি শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।  কুমিল্লা-৯ আসনের এমপি মো. আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষি খাতকে সনাতনী ও শ্রমনির্ভর ব্যবস্থা থেকে বের করে টেকসই খাতে পরিণত করতে বহুমাত্রিক পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। বর্তমান সরকার কৃষিকে গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে একটি প্রযুক্তিনির্ভর, লাভজনক, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই খাতে রূপান্তরের জন্য এই বহুমাত্রিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি জানান, সরকার চীনে কাঁঠাল রপ্তানি করবে। দেশের কৃষিব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের নানা দিক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষিকে ডিজিটাল এবং প্রযুক্তিনির্ভর করতে কৃষি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ করছে। কৃষক নিবন্ধন, কৃষক ডেটাবেজ, ডিজিটাল কৃষি সেবা, মোবাইলভিত্তিক আবহাওয়া তথ্য, বাজার তথ্য, কৃষি পরামর্শ, ই-এক্সটেনশন সেবার সম্প্রসারণ এবং কৃষি সেবার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কৃষকের ডিজিটাল ডেটাবেজ ও সরকারি সেবা কৃষকের কাছে সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার জন্য কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে সারা দেশে প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষিশিল্পের আধুনিকায়নে সরকার কৃষিতে রিমোট সেন্সিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অব থিংস, ড্রোন প্রযুক্তি, জিআইএস, স্যাটেলাইট তথ্য, বিগ ডেটা এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে ফসলের স্বাস্থ্য ও ফলন পর্যবেক্ষণ, রোগবালাই শনাক্তকরণ, সুনির্দিষ্ট সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদন পরিকল্পনা অধিক কার্যকর ও বিজ্ঞানভিত্তিক হবে। আধুনিক প্রযুক্তি ও তথ্যনির্ভর অ্যাগ্রিকালচার চালু করে উৎপাদন খরচ কমানো ও কৃষকের আয় বৃদ্ধি করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সুষম, নিরাপদ ও পুষ্টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যথোপযুক্ত প্রণোদনার মাধ্যমে কৃষি খাতকে পুনর্বিন্যাস ও বিকশিত করা হবে। তিনি বলেন, দেশের কোন এলাকায় কোন সময় কোন ফসল ভালো হবে; কী পরিমাণ সার লাগবে; আবহাওয়ার পূর্বাভাস ইত্যাদি সংক্রান্ত পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। এমনকি রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জৈব সার, বায়োফার্টিলাইজার এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের আমলে শিক্ষা ক্ষেত্রে শুধু বিল্ডিং হয়েছে। হিউম্যান রিসোর্সের কোনো উন্নয়ন হয়নি। প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ধাপে ধাপে তাদের বেতন বৃদ্ধি করা হবে। তিনি আরও বলেন, বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কারণে পুঁজিবাজার ভালো অবস্থায় ফিরছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার নারী শিক্ষার পাশাপাশি নারী এম্পাওয়ারমেন্ট অর্থাৎ অর্থনৈতিকভাবেও যাতে তারা শক্তিশালী হতে পারে, সেজন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছেন। আমরা একই সঙ্গে আরেকটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি, যেটি বেগম খালেদা জিয়া সরকার মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ইন্টারমিডিয়েট (এইচএসসি) পর্যন্ত ফ্রি করেছিলেন। আমরা এবার ডিগ্রি বা অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করতে চাই। তিনি আরও বলেন, আজকে আমাদের সঙ্গে সংসদ গ্যালারিতে অনেক নারী শিক্ষার্থী উপস্থিত আছেন। তারাও সরাসরি এই সংসদ অধিবেশনটি দেখছেন। আমরা অনার্স পর্যন্ত যে নারীদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করব, তাদের মধ্যে যারা ভালো রেজাল্ট করবে, তাদেরকে আমরা স্কলারশিপ দিতে চাই। মহিলা আসনের এমপি শাম্মী আক্তারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চাদের স্কুল ড্রেস দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। একই সঙ্গে আমরা তাদেরকে স্কুলব্যাগও দেব। আমি এখানে সব সংসদ সদস্যকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই, সমগ্র বাংলাদেশের সরকারি প্রায় ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ কোটি ২০ লাখের মতো বাচ্চা আছে। আমরা পর্যায়ক্রমে এগুলো ক্লাস ওয়ান থেকে ফাইভ পর্যন্ত সব বাচ্চার কাছেই পৌঁছানোর চেষ্টা করব।


তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার : টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রবিউল আওয়ালের তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত করার মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার দেশের সব অঞ্চলে ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ এবং টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের লক্ষ্যে নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার (কর্মসংস্থান কেন্দ্র) স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য, দক্ষতা উন্নয়ন ও চাকরিপ্রাপ্তির সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। তিনি বলেন, কর্মসংস্থান স্থাপিত হলে এর মাধ্যমে সারা দেশে বিদ্যমান অভ্যন্তরীণ শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও প্রাতিষ্ঠানিক হওয়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন হবে।


আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার সুসংহতকরণ, সম্প্রসারণ ও বিকল্প শ্রমবাজার অনুসন্ধানে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা বিরাজমান থাকায় ইতোমধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার উদ্যোগসহ থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানে বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। থাইল্যান্ডের সঙ্গে কর্মী নিয়োগসংক্রান্ত চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া থাইল্যান্ড সরকারের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস-সমূহকে সে দেশের চাহিদা নিরূপণপূর্বক জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রেরণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। মালয়েশিয়া, ওমান, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে বন্ধ থাকা শ্রমবাজার চালুকরণে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


প্রধানমন্ত্রী জানান, কাতার ও বাংলাদেশের মধ্যে গত ১৮ মে সপ্তম জয়েন্ট কমিটির সভা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাতারের শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পেশায় দক্ষ কর্মী নিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ করবে মর্মে আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়াও এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে আরও চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘নর্থ মেসিডোনিয়া, সার্বিয়া, মরিশাস, পর্তুগালসহ ইউরোপের যেসব দেশে দক্ষ কর্মী প্রেরণের সুযোগ রয়েছে এবং ওই দেশসমূহের ভিসা সেন্টার বাংলাদেশে নেই, সেসব দেশের ভিসা সেন্টার ঢাকায় স্থাপনের লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। আশা করি এটি বাস্তবায়ন করতে পারলে বিদেশে অধিক কর্মী প্রেরণ আরও সহজতর হবে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়ায় মৌসুমি কর্মী প্রেরণের লক্ষ্যে সে দেশের বিভিন্ন স্থানীয় সরকারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর কার্যক্রম চলমান আছে। ইতোমধ্যে বোয়েসেলের (বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লি.) মাধ্যমে মৌসুমি কর্মী প্রেরণ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, জাপানে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সঠিক সমন্বয়ের জন্য প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে জাপান সেল গঠন করা হয়েছে। এ সেলের সঙ্গে জাপানে কর্মী প্রেরণকারী ৯৬টি সেন্ডিং অর্গানাইজেশন, ২০০টির বেশি বেসরকারি জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ৬০টি টিটিসিকে একক কাঠামোয় আনা হয়েছে।’


নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার  : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এ দর্শনকে ধারণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার। উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণকে সমান গুরুত্ব দিয়ে বর্তমান সরকার একটি সবুজ, জলবায়ু-সহনশীল, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬’ উপলক্ষে গতকাল দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জাতীয় ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬’ একটি সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ। এ বছর জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’, আমাদের এ জাতীয় অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। তিনি বলেন, মানবসৃষ্ট কর্মকাণ্ডের বিরূপ প্রভাবে বৈশ্বিক উষ্ণতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত বিশ্বব্যাপী প্রকৃতি ও মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলছে। প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি রোধে বৃক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বৃক্ষ বায়ুমণ্ডলীয় কার্বন শোষণ করে, অতিরিক্ত তাপমাত্রা কমায় এবং পরিবেশকে নির্মল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বাস্তবতা বিবেচনায় বর্তমান সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের এক যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এটি কেবল একটি সরকারি কর্মসূচি নয়, বরং একটি জাতীয় আন্দোলন। একটি গতিশীল ও সম্ভাবনাময় সবুজ অর্থনীতি গড়ে তুলতে বন ও বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই দেশকে সবুজে আচ্ছাদিত করার লক্ষ্যে বাড়ির আনাচে-কানাচে, পতিত ও প্রান্তিক জমিতে, খাল ও নদীর পার, বাঁধে, সড়ক ও সড়কদ্বীপে, বাড়ির ছাদে এবং শহর-বন্দর নির্বিশেষে উপযুক্ত প্রতিটি স্থানে ব্যাপক বনায়ন কার্যক্রমে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে অংশগ্রহণের জন্য আমি উদাত্ত আহ্বান জানাই। তারেক রহমান বলেন, আমি আশা করি, দেশবাসী বৃক্ষমেলা থেকে উন্নত জাতের চারা সংগ্রহের সুযোগ পাবে এবং শিক্ষার্থীরা উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ লাভ করবে। আসুন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, সুন্দর, নির্মল ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা প্রত্যেকে অন্তত একটি করে বৃক্ষরোপণ করি এবং তার যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করি। তিনি আরও বলেন, এ বছর যারা ‘বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৫’, ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৬’ এবং সামাজিক বনায়নের লভ্যাংশ অর্জন করেছেন, আমি তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমি জাতীয় ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬’-এর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।