ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ছয় দিনের এই কর্মসূচি স্থানীয় সময় শনিবার সকালে শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।


এদিকে, এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, “খামেনির দাফন অনুষ্ঠানের জন্য তেহরানকে এক সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়েছে।”


শুক্রবার রাতে মাউন্ট রাশমোরে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের উদ্বোধনী ভাষণে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের শ্রেষ্ঠত্ব, কমিউনিজমের হুমকি এবং বিশ্বে তার দেশের সামরিক শক্তি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ দম্ভ প্রকাশ করেন।


এ সময় তিনি বলেন, “আমরা একদিনে ভেনিজুয়েলাকে হারিয়েছি এবং ইরানকে একেবারে ধরাশায়ী করেছি। তারা এখন এতটাই মীমাংসা করতে চায় যে, তারা মীমাংসার জন্য মরিয়া হয়ে আছে।”


তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা ভালো মানুষ বলেই দাফন অনুষ্ঠানের জন্য এক সপ্তাহের ছুটি দিয়েছি।”


এর আগে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিন শুক্রবার প্রকাশ্যে আনা হয়। ওইদিন বিভিন্ন দেশ থেকে আসা নেতারা ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শনিবার ও রবিবার তার কফিন থাকবে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায়। সেখানে তাকে শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিশোধের প্রতীক লাল পতাকা হাতে ইতোমধ্যেই জড়ো হয়েছেন বহু মানুষ।


তেহরানের কার্যক্রম শেষে খামেনির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে পর্যায়ক্রমে কোমে এবং ইরাকের নাজাফ হয়ে কারবালায়। পরে সেখান থেকে ইরানের মাশহাদ শহরে নিয়ে এসে ইমাম রেজার মাজারে দাফন করা হবে তাকে।